আসমা অধরা

বন্দিদশা



মেঘ ও রাত্তিরে ভারি হতে থাকে কপাট, এমন সন্ধ্যায়
আঁচলে বিদ্যুৎ ভর করলে ডাকিনী ডেকে ওঠে দূরে;
ভীরু কঙ্কন, অবিন্যাস্ত পদ্মপাতায় আলুথালু হলে 
পদ্মিনী জানে, কঙ্কালসার জানালায় আটকে থাকা 
জীবাণুর ভয়ে শেয়ালগুলো ইদানীং ঘোড়ার সাথে রমণীর 
সঙ্গম দৃশ্যে নিজেকে ভেবে নেয়। এইসব রোমহর্ষ -
মূক স্খলন, প্রত্নবিলাসী অচ্ছুৎ আঁতুড় মন জানেনাই 
কেবল একটি আঙুল স্পর্শ মেঘলাকাশে নক্ষত্র হয়ে যায়। 
জলের মতন কথা বয়ে গেলে ভেসে যাবে মিহি ভষ্মের গুড়ো
কখনো প্রস্তর মুর্তিও জীশূত মন্দ্রের মতন হেসে ওঠে আলোয়।  

Comments

পাঠকের পছন্দ